Career Quest
Fascinating Mathematics
Amazing Science
Delightful Literature
Miscellaneous
জাদু ইস্কুলে টিপু
general awareness
Wanderlust
Eccentric Encyclopedia
Classic Comics
Heritage History
Art and Craft
Beyond the Spectrum
রসেবশে রসায়ন
Economics Explained
Asok Kumar Mallik Books
Historical Thriller
Thrilling Adventures
Russian Books
Environment Enthusiasm
Interesting Ecology
Finance for Kids
Science Fiction
Nobel Lectures
Peculiar Puzzles
Bengali Magazine
Amazing Atlas
2nd books INR 5
Effective Parenting
History of Science
All Products
অনুঘটকের তৃতীয় স্তম্ভ বিজ্ঞান ও বিজ্ঞানী: রসায়নবিদ্যায় নতুন পথের সন্ধানে
Product details
আমাদের জানা চেনা দুনিয়াতেই আমাদের রান্নাঘরে, বাগানে, চারপাশে কী পরিমাণ রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটছে, সেটা কি কখনো ভেবেছেন? এই বইটা কিন্তু সেখান থেকেই শুরু করেছে। মানুষ ধীরে ধীরে সেই সব বিক্রিয়ার ভালো দিকগুলো কাজে লাগিয়েছে, কিন্তু শুধু প্রকৃতির উপর ভরসা করে থেমে থাকেনি। দরকার ছিল বিকল্প পথের। আর তখনই টেস্টটিউবে প্রকৃতিকে বন্দি করার চেষ্টা শুরু হলো। যেখানে সফলতা, সেখানে সেটা পৌঁছে গেল শিল্পের কারখানায়।
এই বইয়ের মূল নায়ক কিন্তু ‘অনুঘটক’। জেকব বার্জেলিয়াস নামটি যার দেওয়া। শুরুর দিকে আইডেটা এসেছিল হামফ্রে ডেভির সেফটি ল্যাম্প আর ডোবেরেনিয়ারের লাইটার থেকে। পরে শিল্পকারখানায় এদের কদর বাড়তে থাকে। নাইট্রোজেনসমৃদ্ধ সারের প্রয়োজন থেকে অ্যামোনিয়া, ইউরিয়া উৎপাদনের পথ বাতলে দিলেন অসওয়াল্ড আর হেবারের মতো বিজ্ঞানীরা।
পলিমার শিল্পে জোয়ার এনেছিলেন জিগলার আর নাট্টা। শিল্পরসায়নের নানা জায়গায় ধাতু আর ধাতব যৌগের ব্যবহার এতটাই নির্দিষ্ট হয়ে গেল যে একটা বিক্রিয়ার জন্য একটা নির্দিষ্ট অনুঘটক—যেন তালা-চাবির সম্পর্ক। আর শুধু ধাতুতেই থেমে থাকল না। শরীরের ভেতর এনজাইমেরা যখন অনুঘটকের কাজ করে, বিজ্ঞানীরা সেগুলোকেও কাজে লাগানোর চেষ্টা করলেন। যার ফলে প্রসাধনী থেকে জীবনদায়ী ওষুধ সব কিছু তৈরি হতে শুরু করল সহজ উপায়ে।
দেখ, এই বই কিন্তু শুধু রসায়নের ফর্মুলা আর বিক্রিয়ার গল্প না। এটা বিজ্ঞানীদের গল্প। প্রয়োজনের চাপে একজন বিজ্ঞানী কীভাবে পাগলের মতো লেগে যায়, কীভাবে অসম্ভবকে সম্ভব করে, সেটাই উঠে এসেছে এখানে।
বইটাতে অনেক বিজ্ঞানীর শৈশব-কৈশোর, তাদের বিজ্ঞানী হয়ে ওঠার গল্প আছে। কেউ রসায়নকে ভালোবেসেছে কোনো একটা বই পড়ে, কেউ পেয়েছে সঠিক শিক্ষকের হাত ধরে। কেউ সহজ গবেষণা ছেড়ে দিয়েছে কঠিন কাজে ডুব দেওয়ার জন্য। অনেকেই আবার খুব সাধারণ ঘর থেকে এসেছে, দেখেছে বাবা-মায়ের জীবনসংগ্রাম। তারাও সেই প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে হেঁটে গিয়ে সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছেছে।
একটা গল্প বলি শুন—এডুয়ার্ড বাকনার। নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী হয়েও দেশপ্রেমের টানে সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে দ্বিতীয়বার যুদ্ধে গিয়ে ঘায়েল হন, দু’দিন বাদে চলে যান না ফেরার দেশে। আর বিজ্ঞানী হেবারের গল্পটাও অবাক করার মতো। তাঁর কাছে দেশপ্রেম ছিল বিশ্বপ্রেমের চেয়েও বড়ো। দেশের জন্য কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, কিন্তু পরবর্তী সময়ে তাঁকেও রেহাই দেয়নি কেউ।
তোর জন্য ভালো খবর হচ্ছে, এই বইটা শুধু বিজ্ঞানের ছাত্রদের জন্য না। যদি তুই বিজ্ঞান না পড়েও থাকিস, তবুও পড়তে পারবি। কারণ বিজ্ঞানীদের জীবনদর্শন, তাদের সময়ের প্রেক্ষাপট, সংগ্রামের গল্প—সব কিছুই আছে এখানে।
পাণ্ডুলিপি দেখে বইটা প্রকাশ করতে রাজি হয়েছে ‘প্রয়াস প্রকাশনী সংস্থা’, কলকাতা। লেখক জানিয়েছে, বিজ্ঞানের পাশাপাশি মানুষের গল্পটাও তিনি তুলে ধরতে চেয়েছেন এখানে।
তো ভাই, যদি ভালো লাগে, একবার হাতে নিয়ে দেখতে পারো। কেমন হয়েছে সেটা জানানোর অপেক্ষাতেই আছেন লেখক।
লেখক পরিচিতি

জন্ম ১৯৭৬ সালের নভেম্বর মাসে কোচবিহারে। পেশায় প্রধান শিক্ষক, বিষয় রসায়ন। বিগত এক দশকের বেশি সময় ধরে বিজ্ঞান আন্দোলনের পাশাপাশি বেশ কিছু পত্রিকায় বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ লিখে আসছেন। গ্রাম্য মন্দিরের লোকগাথাসংগ্রহ, স্থানিক চর্চার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়েন অখ্যাত গ্রামে। লেখকের প্রথম বই 'রসনার রসায়ন'। যৌথভাবে লিখেছেন 'তরাই ও ডুয়ার্সের মন্দির'। বিভিন্ন সময়ে পেয়েছেন বেশ কিছু পুরস্কার। উল্লেখযোগ্য পুরস্কারের মধ্যে Young Scientist Award 2008 in a National Conference on Advanced Material, UPA College, Banaras, Teachers Trove Award 2011 by Garden City College, Bangalore, INST Vidyasagar Award 2017 From INST, Mohali.
Product details
আমাদের জানা চেনা দুনিয়াতেই আমাদের রান্নাঘরে, বাগানে, চারপাশে কী পরিমাণ রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটছে, সেটা কি কখনো ভেবেছেন? এই বইটা কিন্তু সেখান থেকেই শুরু করেছে। মানুষ ধীরে ধীরে সেই সব বিক্রিয়ার ভালো দিকগুলো কাজে লাগিয়েছে, কিন্তু শুধু প্রকৃতির উপর ভরসা করে থেমে থাকেনি। দরকার ছিল বিকল্প পথের। আর তখনই টেস্টটিউবে প্রকৃতিকে বন্দি করার চেষ্টা শুরু হলো। যেখানে সফলতা, সেখানে সেটা পৌঁছে গেল শিল্পের কারখানায়।
এই বইয়ের মূল নায়ক কিন্তু ‘অনুঘটক’। জেকব বার্জেলিয়াস নামটি যার দেওয়া। শুরুর দিকে আইডেটা এসেছিল হামফ্রে ডেভির সেফটি ল্যাম্প আর ডোবেরেনিয়ারের লাইটার থেকে। পরে শিল্পকারখানায় এদের কদর বাড়তে থাকে। নাইট্রোজেনসমৃদ্ধ সারের প্রয়োজন থেকে অ্যামোনিয়া, ইউরিয়া উৎপাদনের পথ বাতলে দিলেন অসওয়াল্ড আর হেবারের মতো বিজ্ঞানীরা।
পলিমার শিল্পে জোয়ার এনেছিলেন জিগলার আর নাট্টা। শিল্পরসায়নের নানা জায়গায় ধাতু আর ধাতব যৌগের ব্যবহার এতটাই নির্দিষ্ট হয়ে গেল যে একটা বিক্রিয়ার জন্য একটা নির্দিষ্ট অনুঘটক—যেন তালা-চাবির সম্পর্ক। আর শুধু ধাতুতেই থেমে থাকল না। শরীরের ভেতর এনজাইমেরা যখন অনুঘটকের কাজ করে, বিজ্ঞানীরা সেগুলোকেও কাজে লাগানোর চেষ্টা করলেন। যার ফলে প্রসাধনী থেকে জীবনদায়ী ওষুধ সব কিছু তৈরি হতে শুরু করল সহজ উপায়ে।
দেখ, এই বই কিন্তু শুধু রসায়নের ফর্মুলা আর বিক্রিয়ার গল্প না। এটা বিজ্ঞানীদের গল্প। প্রয়োজনের চাপে একজন বিজ্ঞানী কীভাবে পাগলের মতো লেগে যায়, কীভাবে অসম্ভবকে সম্ভব করে, সেটাই উঠে এসেছে এখানে।
বইটাতে অনেক বিজ্ঞানীর শৈশব-কৈশোর, তাদের বিজ্ঞানী হয়ে ওঠার গল্প আছে। কেউ রসায়নকে ভালোবেসেছে কোনো একটা বই পড়ে, কেউ পেয়েছে সঠিক শিক্ষকের হাত ধরে। কেউ সহজ গবেষণা ছেড়ে দিয়েছে কঠিন কাজে ডুব দেওয়ার জন্য। অনেকেই আবার খুব সাধারণ ঘর থেকে এসেছে, দেখেছে বাবা-মায়ের জীবনসংগ্রাম। তারাও সেই প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে হেঁটে গিয়ে সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছেছে।
একটা গল্প বলি শুন—এডুয়ার্ড বাকনার। নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী হয়েও দেশপ্রেমের টানে সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে দ্বিতীয়বার যুদ্ধে গিয়ে ঘায়েল হন, দু’দিন বাদে চলে যান না ফেরার দেশে। আর বিজ্ঞানী হেবারের গল্পটাও অবাক করার মতো। তাঁর কাছে দেশপ্রেম ছিল বিশ্বপ্রেমের চেয়েও বড়ো। দেশের জন্য কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, কিন্তু পরবর্তী সময়ে তাঁকেও রেহাই দেয়নি কেউ।
তোর জন্য ভালো খবর হচ্ছে, এই বইটা শুধু বিজ্ঞানের ছাত্রদের জন্য না। যদি তুই বিজ্ঞান না পড়েও থাকিস, তবুও পড়তে পারবি। কারণ বিজ্ঞানীদের জীবনদর্শন, তাদের সময়ের প্রেক্ষাপট, সংগ্রামের গল্প—সব কিছুই আছে এখানে।
পাণ্ডুলিপি দেখে বইটা প্রকাশ করতে রাজি হয়েছে ‘প্রয়াস প্রকাশনী সংস্থা’, কলকাতা। লেখক জানিয়েছে, বিজ্ঞানের পাশাপাশি মানুষের গল্পটাও তিনি তুলে ধরতে চেয়েছেন এখানে।
তো ভাই, যদি ভালো লাগে, একবার হাতে নিয়ে দেখতে পারো। কেমন হয়েছে সেটা জানানোর অপেক্ষাতেই আছেন লেখক।
লেখক পরিচিতি

জন্ম ১৯৭৬ সালের নভেম্বর মাসে কোচবিহারে। পেশায় প্রধান শিক্ষক, বিষয় রসায়ন। বিগত এক দশকের বেশি সময় ধরে বিজ্ঞান আন্দোলনের পাশাপাশি বেশ কিছু পত্রিকায় বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ লিখে আসছেন। গ্রাম্য মন্দিরের লোকগাথাসংগ্রহ, স্থানিক চর্চার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়েন অখ্যাত গ্রামে। লেখকের প্রথম বই 'রসনার রসায়ন'। যৌথভাবে লিখেছেন 'তরাই ও ডুয়ার্সের মন্দির'। বিভিন্ন সময়ে পেয়েছেন বেশ কিছু পুরস্কার। উল্লেখযোগ্য পুরস্কারের মধ্যে Young Scientist Award 2008 in a National Conference on Advanced Material, UPA College, Banaras, Teachers Trove Award 2011 by Garden City College, Bangalore, INST Vidyasagar Award 2017 From INST, Mohali.
Sort by
Newest first
Newest first
Oldest first
Highest rated
Lowest rated
Ratings
All ratings
All ratings
5 Stars
4 Stars
3 Stars
2 Stars
1 Star