রুডিয়ার্ড কিপিলিং জাঙ্গল বুক
Product details
ময়ূখ চৌধুরী
১৬০ পাতা
হার্ড কোভার
বিচিত্রপত্র গ্রন্থন বিভাগ
সবুজ অরণ্যের গহিনে এক মায়াবী জগৎ, যেখানে গাছপালা, পশুপাখি আর মানুষের মধ্যে গড়ে উঠেছে এক অদ্ভুত নিবিড় সম্পর্ক। রুডিয়ার্ড কিপলিং-এর কালজয়ী সৃষ্টি 'জাঙ্গল বুক'-এর কথা নতুন করে আর বলার কিছু নেই। আট থেকে আশি—সব বয়সীর কাছেই বাঘিরা, শেরখান, বালু, আকেলা আর আমাদের সবার প্রিয় মোগলি যেন নিজেদেরই অতি আপন কোনো চরিত্র।
পদে পদে রোমাঞ্চ আর অ্যাডভেঞ্চারে ঠাসা এই কাহিনী কেবল এক কল্পনার রাজ্য নয়, বরং সরল সম্পর্কের বুননে জঙ্গলের বুকে বেঁচে থাকার এক কঠিন সংগ্রামের আখ্যান। সেই চিরচেনা জাদুকরী জগতকে এবার বাঙালি পাঠকদের জন্য আরও নিখুঁত ও জীবন্ত করে তুলেছে ময়ুখ চৌধুরীর করা এক অসামান্য বাংলা অনুবাদ।
বইটির পরতে পরতে ছড়িয়ে আছে জঙ্গল জীবনের উত্তেজনা, যা আপনাকে এক নিঃশ্বাসে পড়িয়ে নেবে প্রতিটি অধ্যায়। তবে এই বিশেষ সংস্করণের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো এর নান্দনিক দিক। খ্যাতিমান পরিচালক শ্রীসন্দীপ রায় স্বয়ং এই গ্রন্থের ভূমিকায় অনুবাদকের বহুমুখী প্রতিভার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন:
"সঙ্গে ওঁর করা নজরকাড়া সব অলংকরণ। যেমন লেখা, তেমন ছবি
যুগলবন্দী এক কাজ।"
অপূর্ব অনুবাদ আর দৃষ্টিনন্দন অলংকরণের এই অনবদ্য যুগলবন্দী যেকোনো পাঠকের সংগ্রহে রাখার মতো একটি অমূল্য সম্পদ। শৈশবের নস্টালজিয়ায় ভাসতে এবং বুনো অরণ্যের অকৃত্রিম রোমাঞ্চের স্বাদ পেতে আজই ডুব দিন এই অসাধারণ বইটির পাতায়!
লেখক পরিচিতি
প্রসাদ রায়ের (ময়ূখ চৌধুরী) জন্ম ১৯২৬ অধুনা বাংলাদেশে। কৈশোরেই কলকাতায় আগমন।
১৯৪২ সালে ভবানীপুর মিত্র স্কুল ম্যাট্রিক পাশ করে সরকারি আর্ট কলেজে ফাইন আর্টস বিভাগে ভর্তি হন। খেলাধুলাতেও তাঁর আগ্রহ ছিল। সাঁতার, ফুটবল এবং বক্সিং-এ বিশেষ পারদর্শী ছিলেন। তাঁর লেখা অ্যাডভেঞ্চার গল্প এবং কমিক্স চরিত্রগুলি অসাধারণ।
১৯৬২ সালে তাঁর প্রথম রচনা ছাপা হয় 'সন্দেশ' পত্রিকায়। নিজে ছিলেন প্রচণ্ড সাহসী ও প্রতিবাদী স্বভাবের, যা তাঁর সৃষ্ট চরিত্রগুলির মধ্যেও দেখা যায়। প্রচুর কমিক্স ও গল্প উপহার দিলেও তাঁর প্রাপ্য সম্মান কোনো দিন পাননি। ১৯৯৬ সালে ৩০ অক্টোবর শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।
Product details
ময়ূখ চৌধুরী
১৬০ পাতা
হার্ড কোভার
বিচিত্রপত্র গ্রন্থন বিভাগ
সবুজ অরণ্যের গহিনে এক মায়াবী জগৎ, যেখানে গাছপালা, পশুপাখি আর মানুষের মধ্যে গড়ে উঠেছে এক অদ্ভুত নিবিড় সম্পর্ক। রুডিয়ার্ড কিপলিং-এর কালজয়ী সৃষ্টি 'জাঙ্গল বুক'-এর কথা নতুন করে আর বলার কিছু নেই। আট থেকে আশি—সব বয়সীর কাছেই বাঘিরা, শেরখান, বালু, আকেলা আর আমাদের সবার প্রিয় মোগলি যেন নিজেদেরই অতি আপন কোনো চরিত্র।
পদে পদে রোমাঞ্চ আর অ্যাডভেঞ্চারে ঠাসা এই কাহিনী কেবল এক কল্পনার রাজ্য নয়, বরং সরল সম্পর্কের বুননে জঙ্গলের বুকে বেঁচে থাকার এক কঠিন সংগ্রামের আখ্যান। সেই চিরচেনা জাদুকরী জগতকে এবার বাঙালি পাঠকদের জন্য আরও নিখুঁত ও জীবন্ত করে তুলেছে ময়ুখ চৌধুরীর করা এক অসামান্য বাংলা অনুবাদ।
বইটির পরতে পরতে ছড়িয়ে আছে জঙ্গল জীবনের উত্তেজনা, যা আপনাকে এক নিঃশ্বাসে পড়িয়ে নেবে প্রতিটি অধ্যায়। তবে এই বিশেষ সংস্করণের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো এর নান্দনিক দিক। খ্যাতিমান পরিচালক শ্রীসন্দীপ রায় স্বয়ং এই গ্রন্থের ভূমিকায় অনুবাদকের বহুমুখী প্রতিভার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন:
"সঙ্গে ওঁর করা নজরকাড়া সব অলংকরণ। যেমন লেখা, তেমন ছবি
যুগলবন্দী এক কাজ।"
অপূর্ব অনুবাদ আর দৃষ্টিনন্দন অলংকরণের এই অনবদ্য যুগলবন্দী যেকোনো পাঠকের সংগ্রহে রাখার মতো একটি অমূল্য সম্পদ। শৈশবের নস্টালজিয়ায় ভাসতে এবং বুনো অরণ্যের অকৃত্রিম রোমাঞ্চের স্বাদ পেতে আজই ডুব দিন এই অসাধারণ বইটির পাতায়!
লেখক পরিচিতি
প্রসাদ রায়ের (ময়ূখ চৌধুরী) জন্ম ১৯২৬ অধুনা বাংলাদেশে। কৈশোরেই কলকাতায় আগমন।
১৯৪২ সালে ভবানীপুর মিত্র স্কুল ম্যাট্রিক পাশ করে সরকারি আর্ট কলেজে ফাইন আর্টস বিভাগে ভর্তি হন। খেলাধুলাতেও তাঁর আগ্রহ ছিল। সাঁতার, ফুটবল এবং বক্সিং-এ বিশেষ পারদর্শী ছিলেন। তাঁর লেখা অ্যাডভেঞ্চার গল্প এবং কমিক্স চরিত্রগুলি অসাধারণ।
১৯৬২ সালে তাঁর প্রথম রচনা ছাপা হয় 'সন্দেশ' পত্রিকায়। নিজে ছিলেন প্রচণ্ড সাহসী ও প্রতিবাদী স্বভাবের, যা তাঁর সৃষ্ট চরিত্রগুলির মধ্যেও দেখা যায়। প্রচুর কমিক্স ও গল্প উপহার দিলেও তাঁর প্রাপ্য সম্মান কোনো দিন পাননি। ১৯৯৬ সালে ৩০ অক্টোবর শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।
Sort by
Newest first
Newest first
Oldest first
Highest rated
Lowest rated
Ratings
All ratings
All ratings
5 Stars
4 Stars
3 Stars
2 Stars
1 Star