ফিডিয়াসের ধাঁধা
Product details
মায়াকানন
পেপারব্যাক
৮৮ পাতা
উদয়াদিত্য সোম
আউট অফ দ্য প্লেস আর্টিফ্যাক্ট (OOP), অর্থাৎ, এমন কিছু যা সাধারণভাবে ওই সময়ে ওই স্থানে থাকার কথা নয় - এমন কিছু, যা হয় তাদের সময়ের থেকে, বা পারিপার্শ্বিকের থেকে, বা প্রযুক্তির থেকে আলাদা। বর্তমান প্রজন্মের একজন বুদ্ধিমতী ছাত্রীর তীক্ষ্ণ অনুসন্ধিৎসু নজরে ধরা পড়া এমনই একটি OOP সূচনা ঘটিয়ে ফেললো হারিয়ে যাওয়া ইতিহাস খুঁজে বের করার এক রোমাঞ্চকর অভিযানের।
স্মার্টফোন আর সোশ্যাল মিডিয়ার গোলকধাঁধায় হারিয়ে যাওয়া বর্তমান প্রজন্মকে ক্ষণিকের জন্য হলেও সরিয়ে এনে একটা ফেলে আসা সময়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবার এক অনবদ্য প্রচেষ্টা - ‘ফিডিয়াসের ধাঁধা’। ইতিহাস আশ্রিত এই অভিযান তাদের যাবে একটা ফেলে আসা সময়ে, উৎসাহিত করে তুলবে ইতিহাসের পাতা উল্টে দেখতে, পরিচয় করিয়ে দেবে প্রাচীন গ্রিসের স্বর্ণযুগের ইতিহাসের এক বিস্মৃত বিস্ময়কর প্রতিভাবান শিল্পীর সঙ্গে।
প্রাচীন পৃথিবীর সাতটি আশ্চর্যের অন্যতম ছিল গ্রিসের অলিম্পিয়ায় দেবরাজ জিউসের মূর্তি। হাতির দাঁত এবং সোনা ও অন্যান্য বহুমূল্য পাথর দিয়ে তৈরি এই মূর্তিটি ছিল খৃষ্টপূর্ব পঞ্চম শতকের ক্রাইসেলিফ্যান্টাইন শিল্পরীতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। আর সে-মূর্তির স্রষ্টা ছিলেন প্রাচীন গ্রিসের স্বর্ণযুগের শ্রেষ্ঠ ভাস্কর ফিডিয়াস। শুধু অলিম্পিয়ান জিউস নয়, তার আগে এথেন্সের অধিষ্ঠাত্রী দেবী এথেনা পার্থেনসের মূর্তিরও সৃষ্টি হয়েছিল ফিডিয়াসের হাতে।
এ-হেন শিল্পীর শেষ জীবন ছিল অন্ধকারাবৃত। এথেন্সের শাসক পেরিক্লিসের ঘনিষ্ঠ সুহৃদ ছিলেন ফিডিয়াস। পেরিক্লিসের রাজনৈতিক শত্রুরা ছিলেন প্রবল, কিন্তু শাসকের সরাসরি বিরুদ্ধাচরণ তাঁরা করে উঠতে পারছিলেন না, তাই কি তাদের রোষের শিকার হতে হয়েছিল এই কালজয়ী শিল্পীকে? না কি রাষ্ট্রের প্রতি ক্রমাগত আনুগত্য-প্রদর্শনের বাধ্যতা কোথাও বিদ্রোহী করে তুলেছিল তাঁর শিল্পীসত্ত্বাকে?
এ-রকমই কিছু প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে প্রত্নতত্ত্ব আর রহস্যের ধুলো সরিয়ে খানিকটা কল্পনা আর অনেকখানি ইতিহাস মেশানো এই ধাঁধার খোঁজ সন্ধানী পাঠকের বেশ আচ্ছন্ন করে রাখবে এক অন্য ভুবনে।
লেখক পরিচিতি:
উদয়াদিত্য সোমের জন্ম কলকাতায়, ষাটের দশকের শেষ দিকে। পড়াশোনা প্রথমে বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট হাই স্কুলে, তারপর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। ত্রিশ বছরের পেশাগত জীবনের বেশিরভাগটাই কাটিয়েছেন বাংলার বাইরে।
পেশায় সৌরবিদ্যুতের কারবারি, নেশায় পর্যটক এবং আগ্রাসী পাঠক এই মানুষটি সুযোগ পেলেই ক্যামেরা হাতে পৌঁছে যান প্রাচীন ইতিহাসের দরজায়। গত চার বছর ধরে কাজের সূত্রে ব্যাঙ্কক-প্রবাসী, তখন থেকেই নতুন করে লেখালেখির শুরু।
এখনও অবধি তাঁর লেখা প্রকাশিত হয়েছে একাধিক গল্প সংকলনে, এবং বইচই (২০১৯) ও মায়াকানন (২০২০) পূজাবার্ষিকীতে।
'ফিডিয়াসের ধাঁধা' তাঁর দ্বিতীয় প্রকাশিত গ্রন্থ।
Product details
মায়াকানন
পেপারব্যাক
৮৮ পাতা
উদয়াদিত্য সোম
আউট অফ দ্য প্লেস আর্টিফ্যাক্ট (OOP), অর্থাৎ, এমন কিছু যা সাধারণভাবে ওই সময়ে ওই স্থানে থাকার কথা নয় - এমন কিছু, যা হয় তাদের সময়ের থেকে, বা পারিপার্শ্বিকের থেকে, বা প্রযুক্তির থেকে আলাদা। বর্তমান প্রজন্মের একজন বুদ্ধিমতী ছাত্রীর তীক্ষ্ণ অনুসন্ধিৎসু নজরে ধরা পড়া এমনই একটি OOP সূচনা ঘটিয়ে ফেললো হারিয়ে যাওয়া ইতিহাস খুঁজে বের করার এক রোমাঞ্চকর অভিযানের।
স্মার্টফোন আর সোশ্যাল মিডিয়ার গোলকধাঁধায় হারিয়ে যাওয়া বর্তমান প্রজন্মকে ক্ষণিকের জন্য হলেও সরিয়ে এনে একটা ফেলে আসা সময়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবার এক অনবদ্য প্রচেষ্টা - ‘ফিডিয়াসের ধাঁধা’। ইতিহাস আশ্রিত এই অভিযান তাদের যাবে একটা ফেলে আসা সময়ে, উৎসাহিত করে তুলবে ইতিহাসের পাতা উল্টে দেখতে, পরিচয় করিয়ে দেবে প্রাচীন গ্রিসের স্বর্ণযুগের ইতিহাসের এক বিস্মৃত বিস্ময়কর প্রতিভাবান শিল্পীর সঙ্গে।
প্রাচীন পৃথিবীর সাতটি আশ্চর্যের অন্যতম ছিল গ্রিসের অলিম্পিয়ায় দেবরাজ জিউসের মূর্তি। হাতির দাঁত এবং সোনা ও অন্যান্য বহুমূল্য পাথর দিয়ে তৈরি এই মূর্তিটি ছিল খৃষ্টপূর্ব পঞ্চম শতকের ক্রাইসেলিফ্যান্টাইন শিল্পরীতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। আর সে-মূর্তির স্রষ্টা ছিলেন প্রাচীন গ্রিসের স্বর্ণযুগের শ্রেষ্ঠ ভাস্কর ফিডিয়াস। শুধু অলিম্পিয়ান জিউস নয়, তার আগে এথেন্সের অধিষ্ঠাত্রী দেবী এথেনা পার্থেনসের মূর্তিরও সৃষ্টি হয়েছিল ফিডিয়াসের হাতে।
এ-হেন শিল্পীর শেষ জীবন ছিল অন্ধকারাবৃত। এথেন্সের শাসক পেরিক্লিসের ঘনিষ্ঠ সুহৃদ ছিলেন ফিডিয়াস। পেরিক্লিসের রাজনৈতিক শত্রুরা ছিলেন প্রবল, কিন্তু শাসকের সরাসরি বিরুদ্ধাচরণ তাঁরা করে উঠতে পারছিলেন না, তাই কি তাদের রোষের শিকার হতে হয়েছিল এই কালজয়ী শিল্পীকে? না কি রাষ্ট্রের প্রতি ক্রমাগত আনুগত্য-প্রদর্শনের বাধ্যতা কোথাও বিদ্রোহী করে তুলেছিল তাঁর শিল্পীসত্ত্বাকে?
এ-রকমই কিছু প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে প্রত্নতত্ত্ব আর রহস্যের ধুলো সরিয়ে খানিকটা কল্পনা আর অনেকখানি ইতিহাস মেশানো এই ধাঁধার খোঁজ সন্ধানী পাঠকের বেশ আচ্ছন্ন করে রাখবে এক অন্য ভুবনে।
লেখক পরিচিতি:
উদয়াদিত্য সোমের জন্ম কলকাতায়, ষাটের দশকের শেষ দিকে। পড়াশোনা প্রথমে বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট হাই স্কুলে, তারপর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। ত্রিশ বছরের পেশাগত জীবনের বেশিরভাগটাই কাটিয়েছেন বাংলার বাইরে।
পেশায় সৌরবিদ্যুতের কারবারি, নেশায় পর্যটক এবং আগ্রাসী পাঠক এই মানুষটি সুযোগ পেলেই ক্যামেরা হাতে পৌঁছে যান প্রাচীন ইতিহাসের দরজায়। গত চার বছর ধরে কাজের সূত্রে ব্যাঙ্কক-প্রবাসী, তখন থেকেই নতুন করে লেখালেখির শুরু।
এখনও অবধি তাঁর লেখা প্রকাশিত হয়েছে একাধিক গল্প সংকলনে, এবং বইচই (২০১৯) ও মায়াকানন (২০২০) পূজাবার্ষিকীতে।
'ফিডিয়াসের ধাঁধা' তাঁর দ্বিতীয় প্রকাশিত গ্রন্থ।
Sort by
Newest first
Newest first
Oldest first
Highest rated
Lowest rated
Ratings
All ratings
All ratings
5 Stars
4 Stars
3 Stars
2 Stars
1 Star