Menu

মরণ ঘূর্ণিতে টিপু

₹185
Delightful Literature

মরণ ঘূর্ণিতে টিপু

Product details

Orange Publishers

পেপার কভার

২৪০ পাতা

কেকা বসুদেব

 

ছোটবেলায় লেখিকা কেকা বসুদেব-এর রূপকথার গল্প শোনার প্রতি ছিল প্রবল আকর্ষণ।

রাতের পর রাত ঠাকুমার মুখে শোনা লালকমল-নীলকমল, দুখু-সুখু কিংবা বুদ্ধ-ভুতুমের গল্প কখনও পুরনো হতো না। তবু লেখিকার মনের এক কোণে ছিল অপূর্ণতার একটি বোধ। সে গল্পের চরিত্রদের সঙ্গে তিনি নিজেকে মেলাতে পারতেন না। কারণ ধানভানা, চরকাকাটা, জলসইতে যাওয়া কিংবা তুলো পেঁজা-এইসব পটভূমি তার পরিচিত জীবনের থেকে ছিল অনেক দূরে। এদের মধ্যে বর্তমান প্রজন্মের স্থান কোথায়?

এই অপূর্ণতাই তাকে প্রেরণা দিয়েছে আজকের প্রজন্মের জন্য নতুন এক রূপকথার জগৎ নির্মাণ করতে। তার সিদ্ধান্ত ছিল, এমন একটি গল্প তৈরি করবেন যেখানে আধুনিক জীবনের প্রতিটি উপাদান- স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, পিৎজা, বার্গার, এআই প্রযুক্তি কিংবা রিপড জিন্স- সবকিছু থাকবে স্বমহিমায়।

'মরণ ঘূর্ণিতে টিপু'-র রূপকথার জগতে ঢুকলে আজকের কচিকাঁচাদের মনে হবে, 'আরে, এ তো আমারই গল্প!'

লেখিকা কেকা বসুদেব-এর পড়াশুনো কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছত্রছায়ায়। পেশায় একজন কেমিস্ট। নেশায় তিনি সংসারী। গল্পের বইয়ের রাজ্যে হারিয়ে যেতে ভালোবাসেন, আর কোনো নতুন বই হাতে পেলেই মনে হয় যেন সম্পূর্ণ জীবন রঙিন হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি, ভ্রমণের প্রতি তার গভীর আকর্ষণ রয়েছে। সদলবলে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করতেই তিনি মগ্ন হয়ে পড়েন। তবে, ভ্রমণে নানা ধরনের হাস্যকর ও অপ্রত্যাশিত দুর্বিপাক ঘটানোয় তিনি সিদ্ধহস্ত। এই কারণে সহযাত্রীরা মাঝে মাঝে বিরক্ত হলেও শেষমেশ তার সঙ্গেই আবার নতুন যাত্রার জন্য প্রস্তুত হয়ে যান।

লেখিকার এই জীবনধারা তার বইয়ের পাতায় প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। গল্পে তিনি তুলে ধরেন জীবনের মজাদার মুহূর্তগুলো, যেখানে বাস্তব অভিজ্ঞতা আর কল্পনার এক অপূর্ব মেলবন্ধন ঘটে। তার লেখাগুলো পাঠকদের এমন এক জগতে নিয়ে যায়, যেখানে হাসি, কান্না এবং ভাবনার গভীরতা একসঙ্গে জায়গা করে নেয়।

'মরণ ঘূর্ণিতে টিপু' নামের এই রূপকথার গল্পটি লেখিকার সাহিত্যিক মুকুটে একটি নতুন পালক যুক্ত করেছে। এর পাশাপাশি, তার দুটি ভিন্নধর্মী এবং মজার গল্পসংকলন হলো 'উঠলো বাই চলো যাই' এবং 'আধিভৌতিক', যা পাঠকদের হৃদয়ে এক ভিন্নরকম আনন্দের ছাপ ফেলে।

 

Product details

Orange Publishers

পেপার কভার

২৪০ পাতা

কেকা বসুদেব

 

ছোটবেলায় লেখিকা কেকা বসুদেব-এর রূপকথার গল্প শোনার প্রতি ছিল প্রবল আকর্ষণ।

রাতের পর রাত ঠাকুমার মুখে শোনা লালকমল-নীলকমল, দুখু-সুখু কিংবা বুদ্ধ-ভুতুমের গল্প কখনও পুরনো হতো না। তবু লেখিকার মনের এক কোণে ছিল অপূর্ণতার একটি বোধ। সে গল্পের চরিত্রদের সঙ্গে তিনি নিজেকে মেলাতে পারতেন না। কারণ ধানভানা, চরকাকাটা, জলসইতে যাওয়া কিংবা তুলো পেঁজা-এইসব পটভূমি তার পরিচিত জীবনের থেকে ছিল অনেক দূরে। এদের মধ্যে বর্তমান প্রজন্মের স্থান কোথায়?

এই অপূর্ণতাই তাকে প্রেরণা দিয়েছে আজকের প্রজন্মের জন্য নতুন এক রূপকথার জগৎ নির্মাণ করতে। তার সিদ্ধান্ত ছিল, এমন একটি গল্প তৈরি করবেন যেখানে আধুনিক জীবনের প্রতিটি উপাদান- স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, পিৎজা, বার্গার, এআই প্রযুক্তি কিংবা রিপড জিন্স- সবকিছু থাকবে স্বমহিমায়।

'মরণ ঘূর্ণিতে টিপু'-র রূপকথার জগতে ঢুকলে আজকের কচিকাঁচাদের মনে হবে, 'আরে, এ তো আমারই গল্প!'

লেখিকা কেকা বসুদেব-এর পড়াশুনো কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছত্রছায়ায়। পেশায় একজন কেমিস্ট। নেশায় তিনি সংসারী। গল্পের বইয়ের রাজ্যে হারিয়ে যেতে ভালোবাসেন, আর কোনো নতুন বই হাতে পেলেই মনে হয় যেন সম্পূর্ণ জীবন রঙিন হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি, ভ্রমণের প্রতি তার গভীর আকর্ষণ রয়েছে। সদলবলে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করতেই তিনি মগ্ন হয়ে পড়েন। তবে, ভ্রমণে নানা ধরনের হাস্যকর ও অপ্রত্যাশিত দুর্বিপাক ঘটানোয় তিনি সিদ্ধহস্ত। এই কারণে সহযাত্রীরা মাঝে মাঝে বিরক্ত হলেও শেষমেশ তার সঙ্গেই আবার নতুন যাত্রার জন্য প্রস্তুত হয়ে যান।

লেখিকার এই জীবনধারা তার বইয়ের পাতায় প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। গল্পে তিনি তুলে ধরেন জীবনের মজাদার মুহূর্তগুলো, যেখানে বাস্তব অভিজ্ঞতা আর কল্পনার এক অপূর্ব মেলবন্ধন ঘটে। তার লেখাগুলো পাঠকদের এমন এক জগতে নিয়ে যায়, যেখানে হাসি, কান্না এবং ভাবনার গভীরতা একসঙ্গে জায়গা করে নেয়।

'মরণ ঘূর্ণিতে টিপু' নামের এই রূপকথার গল্পটি লেখিকার সাহিত্যিক মুকুটে একটি নতুন পালক যুক্ত করেছে। এর পাশাপাশি, তার দুটি ভিন্নধর্মী এবং মজার গল্পসংকলন হলো 'উঠলো বাই চলো যাই' এবং 'আধিভৌতিক', যা পাঠকদের হৃদয়ে এক ভিন্নরকম আনন্দের ছাপ ফেলে।

 

You might like these