বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
হার্ডকভার
৫৫ পাতা
শিশু সাহিত্য সংসদ
এবার তোমাদের জন্য এমন একটি বইয়ের কথা বলবো যাতে রহস্য আছে। আর রহস্যের বই কার না ভালো লাগে। তবে এ যেমন তেমন রহস্য নয় একেবারে ‘সন্দেশ রহস্য’। সেটি কেমন? তাহলে গাবলুর কথা বলতে হয়। গাবলুর তখন আট বছর। সেদিন মা, বাবা, গাবলু আর তার বোন মিতুন একসাথে খেতে বসেছে। গাবলুর লুচি-আলুর দম খাওয়া শেষ। সবে সন্দেশে কামড় বসিয়েছে। ওর বাবা বললেন, গাবলু খাবারগুলো কিভাবে পেটে গিয়ে হজম হয় জানতে ইচ্ছা করে না? এই বলে ওর বাবা মজার ছবি আঁকা একটা বই তাক থেকে নামিয়ে বোঝালেন, মিতুন যদি একটি মেশিন হতো তাহলে মিতুন সামনের দাঁত দিয়ে সন্দেশটাকে কাটত তারপর পিছনের দাঁতে পেষাই হতো। জিব দিয়ে লালা বেরিয়ে সন্দেশটাকে একটা মন্ডে পরিণত করতো। তারপর সেটা গলায় ঢুকে যেতো। তারপর নানা যন্ত্রের ভিতর দিয়ে যাওয়ার সময় শরীর কিছু খাবার শুষে নিত। খাবার থেকে কিছুটা জলও শুষে নিত। খাদ্য তখন তরলের মত হয়ে গেছে। এরপর সেটি যায় যকৃতে সেখানে কিছু খাদ্য জমা থাকে আর কিছুটা যায় রক্তে। রক্ত সেই খাবার নিয়ে ঘুরে বেড়ায় সারা শরীরের সমস্ত কোষে। তাই বলে সব খাবার শরীর নিতে পারে না। কিছুটা নেয় আর কিছুটা নেয়না। সেগুলো নোংরা। বাড়ির নোংরা যেমন পরিস্কার করতে হয় তেমনি দেহেরও নোংরা পরিস্কার করতে হয়। কিভাবে সেগুলি হয় জানতে পারলে তোমাদের আশ্চর্য লাগবে।