Menu

চিন তিব্বত মোঙ্গো্লিয়া

₹90
Heritage History

চিন তিব্বত মোঙ্গো্লিয়া

Product details

শংকররঞ্জন রায়চৌধুরী 

পেপার ব্যাগ 

১১২ পাতা 

স্বর্ণাক্ষর

ষাটের দশকের উত্তাল রাজনীতির ময়দানে যিনি ছিলেন কট্টর রুশপন্থী এবং ঘোর চিনবিদ্বেষী, সময়ের কালক্রমে কীভাবে বদলে গেল তাঁর চেনা পৃথিবীর সমীকরণ? এই বই শুধু কোনো সাধারণ ভ্রমণকাহিনি নয়, বরং এটি এক মানুষের নিজের রাজনৈতিক অন্ধত্ব ঘুচিয়ে এক মুক্ত, পক্ষপাতহীন দৃষ্টিতে বিশ্বকে আবিষ্কার করার এক রোমাঞ্চকর আখ্যান। রাজনীতি থেকে স্বেচ্ছা অবসরের পর লেখক যখন স্থির করলেন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ চোখে তাঁর একসময়ের স্বপ্নের দেশ রাশিয়া এবং দুঃস্বপ্নের দেশ চিনকে দেখবেন, তখন তিনি বুঝতে পেরেছিলেন দোভাষীর চোখে কোনো দেশকে তার শিকড় থেকে চেনা যায় না। আর তাই, বয়সের বাধাকে সম্পূর্ণ তুচ্ছ করে তিনি অদম্য জেদে একে একে শিখে নিলেন রুশ এবং অত্যন্ত জটিল চিনা ভাষা। এই বইটি সেই অদম্য কৌতূহল, অধ্যবসায় আর একনিষ্ঠ সাধনার এক অপূর্ব ফসল।

২০০৪ সালে সার্স আতঙ্কের ঠিক পরেই, মাত্র এক বছরের চিনা ভাষার পাঠ সম্বল করে লেখক পাড়ি দেন এক অজানা চিনে। দীর্ঘ পঁচিশ দিনের সেই যাত্রায় তিনি ঘুরে বেড়িয়েছেন চিন ও তিব্বতের নানা প্রান্তে। সেখানে তাঁর সঙ্গী হয়েছিল পদে পদে নতুন বিস্ময়। চিনা লিপির জটিলতা, ভিনদেশি পরিবেশ আর পূর্বপরিচিতির অভাব থাকা সত্ত্বেও, সেদেশের সাধারণ মানুষ, তরুণ-তরুণী, কিশোর বালক থেকে শুরু করে বিদগ্ধ অধ্যাপকের কাছ থেকে তিনি যে অপ্রত্যাশিত ভালোবাসা, আন্তরিকতা ও আতিথেয়তা পেয়েছিলেন, তা তাঁর ষাটটি দেশ ঘোরার সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতায় ছিল একেবারে অভূতপূর্ব।

মতাদর্শের গণ্ডি পেরিয়ে এক অন্য চিনকে চেনার, অচেনা মানুষের সঙ্গে আত্মিক বন্ধন গড়ে ওঠার এবং এক অদম্য পর্যটকের চোখ দিয়ে এক বিশাল ভূখণ্ডকে নতুন করে আবিষ্কার করার অনবদ্য দলিল এই বই। রাজনীতির চশমা খুলে ফেলে, নিছক এক জ্ঞানপিপাসু পর্যটকের কৌতূহলী দৃষ্টিতে একটি দেশকে তার অস্থিমজ্জায় চিনে নেওয়ার এই অভাবনীয় ও রোমাঞ্চকর যাত্রায় আপনিও অনায়াসে হারিয়ে যেতে পারেন। বইটি আপনাকে শুধু ভিন্ন দেশের ঠিকানাতেই নিয়ে যাবে না, বরং মানুষের প্রতি মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসার এক নতুন পাঠ শেখাবে।

Product details

শংকররঞ্জন রায়চৌধুরী 

পেপার ব্যাগ 

১১২ পাতা 

স্বর্ণাক্ষর

ষাটের দশকের উত্তাল রাজনীতির ময়দানে যিনি ছিলেন কট্টর রুশপন্থী এবং ঘোর চিনবিদ্বেষী, সময়ের কালক্রমে কীভাবে বদলে গেল তাঁর চেনা পৃথিবীর সমীকরণ? এই বই শুধু কোনো সাধারণ ভ্রমণকাহিনি নয়, বরং এটি এক মানুষের নিজের রাজনৈতিক অন্ধত্ব ঘুচিয়ে এক মুক্ত, পক্ষপাতহীন দৃষ্টিতে বিশ্বকে আবিষ্কার করার এক রোমাঞ্চকর আখ্যান। রাজনীতি থেকে স্বেচ্ছা অবসরের পর লেখক যখন স্থির করলেন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ চোখে তাঁর একসময়ের স্বপ্নের দেশ রাশিয়া এবং দুঃস্বপ্নের দেশ চিনকে দেখবেন, তখন তিনি বুঝতে পেরেছিলেন দোভাষীর চোখে কোনো দেশকে তার শিকড় থেকে চেনা যায় না। আর তাই, বয়সের বাধাকে সম্পূর্ণ তুচ্ছ করে তিনি অদম্য জেদে একে একে শিখে নিলেন রুশ এবং অত্যন্ত জটিল চিনা ভাষা। এই বইটি সেই অদম্য কৌতূহল, অধ্যবসায় আর একনিষ্ঠ সাধনার এক অপূর্ব ফসল।

২০০৪ সালে সার্স আতঙ্কের ঠিক পরেই, মাত্র এক বছরের চিনা ভাষার পাঠ সম্বল করে লেখক পাড়ি দেন এক অজানা চিনে। দীর্ঘ পঁচিশ দিনের সেই যাত্রায় তিনি ঘুরে বেড়িয়েছেন চিন ও তিব্বতের নানা প্রান্তে। সেখানে তাঁর সঙ্গী হয়েছিল পদে পদে নতুন বিস্ময়। চিনা লিপির জটিলতা, ভিনদেশি পরিবেশ আর পূর্বপরিচিতির অভাব থাকা সত্ত্বেও, সেদেশের সাধারণ মানুষ, তরুণ-তরুণী, কিশোর বালক থেকে শুরু করে বিদগ্ধ অধ্যাপকের কাছ থেকে তিনি যে অপ্রত্যাশিত ভালোবাসা, আন্তরিকতা ও আতিথেয়তা পেয়েছিলেন, তা তাঁর ষাটটি দেশ ঘোরার সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতায় ছিল একেবারে অভূতপূর্ব।

মতাদর্শের গণ্ডি পেরিয়ে এক অন্য চিনকে চেনার, অচেনা মানুষের সঙ্গে আত্মিক বন্ধন গড়ে ওঠার এবং এক অদম্য পর্যটকের চোখ দিয়ে এক বিশাল ভূখণ্ডকে নতুন করে আবিষ্কার করার অনবদ্য দলিল এই বই। রাজনীতির চশমা খুলে ফেলে, নিছক এক জ্ঞানপিপাসু পর্যটকের কৌতূহলী দৃষ্টিতে একটি দেশকে তার অস্থিমজ্জায় চিনে নেওয়ার এই অভাবনীয় ও রোমাঞ্চকর যাত্রায় আপনিও অনায়াসে হারিয়ে যেতে পারেন। বইটি আপনাকে শুধু ভিন্ন দেশের ঠিকানাতেই নিয়ে যাবে না, বরং মানুষের প্রতি মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসার এক নতুন পাঠ শেখাবে।

You might like these