Menu

অ্যাটম থেকে কোয়ার্ক

₹375
Amazing Science

অ্যাটম থেকে কোয়ার্ক

Product details

জয়ঢাক

পেপের কভার

২৬২ পাতা

গৌতম গঙ্গোপাধ্যায়, দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

 

মহাবিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে থাকা অগণিত তারা, গ্রহ, নীহারিকা থেকে শুরু করে শূন্যে ভেসে চলা নক্ষত্রের ধূলিকণা—এসব কী দিয়ে তৈরি? আমরা যে বাতাসে শ্বাস নিই, যে জল তৃষ্ণা মেটায়, যে রক্তমাংসে আমাদের দেহ গড়া, এমনকি যে কাগজের বইয়ের কালো অক্ষর তুমি এখন পড়ছ—এদের প্রত্যেকটির ভিতরটা কেমন?

শুরুটা হয়েছিল অনেক পুরোনো কালে। মানুষ দেখেছিল চারপাশ—মাটি, জল, হাওয়া, আগুন। তখন তার ধারণা ছিল, সবকিছু এই চারটি উপাদান আর শূন্যতার মিশেলে তৈরি। তারপর এল যুক্তির জোয়ার। মানুষ জানতে পারল, সবকিছু আসলে অদৃশ্য, নিখুঁত, ভারি ছোট ছোট কণার সমষ্টি।

কিন্তু সেসব কণা দেখতে কেমন? ওদেরও কি কোনো ভিতর আছে? ওরা কত ছোট? সব কণা কি একই, নাকি ভিন্ন ভিন্ন ধাঁচের? এই কৌতূহল থেকেই শুরু হয় বিজ্ঞানের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর অভিযান। প্রাচীন জাদু আর দর্শনের গর্ভ থেকে ধীরে ধীরে জন্ম নিল আধুনিক বিজ্ঞান। যুক্তির আলো ফেলে বিজ্ঞানীরা প্রবেশ করলেন বস্তুর একেবারে গভীরে, পরমাণুর অন্দরমহলে।

সেখানে তারা আবিষ্কার করলেন এক নতুন জগৎ। কণার ভেতর থেকে বেরিয়ে এল আরও ছোট কণা। তারপর দেখা গেল, সেই কণাগুলোও একা নয়—তাদের আচার-আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে এক অদৃশ্য শক্তিকণার জাল, এক ম্যাজিকাল বাস্তুতন্ত্র। এই পথপরিক্রমায় ধরা দিল রহস্যময় হিগস বোসন, বিচিত্র সব কোয়ার্ক, আর কত অচেনা কণা।

কণা-পদার্থবিদ্যার এই যাত্রা এক বিশাল বৈজ্ঞানিক অ্যাডভেঞ্চার। যুক্তির সার্চলাইট হাতে, বিজ্ঞানের জাহাজে চড়ে ক্ষুদ্রতম সত্তার সন্ধানে এক অভিযান—যার শেষ এখনও অনেক দূরে। সামনে কত রহস্য, কত আবিষ্কার বাকি!

চলো, আজ পর্যন্ত এই অভিযান ঠিক কতদূর এগিয়েছে, তারই এক রোমাঞ্চকর গল্প শুনি।

Product details

জয়ঢাক

পেপের কভার

২৬২ পাতা

গৌতম গঙ্গোপাধ্যায়, দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

 

মহাবিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে থাকা অগণিত তারা, গ্রহ, নীহারিকা থেকে শুরু করে শূন্যে ভেসে চলা নক্ষত্রের ধূলিকণা—এসব কী দিয়ে তৈরি? আমরা যে বাতাসে শ্বাস নিই, যে জল তৃষ্ণা মেটায়, যে রক্তমাংসে আমাদের দেহ গড়া, এমনকি যে কাগজের বইয়ের কালো অক্ষর তুমি এখন পড়ছ—এদের প্রত্যেকটির ভিতরটা কেমন?

শুরুটা হয়েছিল অনেক পুরোনো কালে। মানুষ দেখেছিল চারপাশ—মাটি, জল, হাওয়া, আগুন। তখন তার ধারণা ছিল, সবকিছু এই চারটি উপাদান আর শূন্যতার মিশেলে তৈরি। তারপর এল যুক্তির জোয়ার। মানুষ জানতে পারল, সবকিছু আসলে অদৃশ্য, নিখুঁত, ভারি ছোট ছোট কণার সমষ্টি।

কিন্তু সেসব কণা দেখতে কেমন? ওদেরও কি কোনো ভিতর আছে? ওরা কত ছোট? সব কণা কি একই, নাকি ভিন্ন ভিন্ন ধাঁচের? এই কৌতূহল থেকেই শুরু হয় বিজ্ঞানের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর অভিযান। প্রাচীন জাদু আর দর্শনের গর্ভ থেকে ধীরে ধীরে জন্ম নিল আধুনিক বিজ্ঞান। যুক্তির আলো ফেলে বিজ্ঞানীরা প্রবেশ করলেন বস্তুর একেবারে গভীরে, পরমাণুর অন্দরমহলে।

সেখানে তারা আবিষ্কার করলেন এক নতুন জগৎ। কণার ভেতর থেকে বেরিয়ে এল আরও ছোট কণা। তারপর দেখা গেল, সেই কণাগুলোও একা নয়—তাদের আচার-আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে এক অদৃশ্য শক্তিকণার জাল, এক ম্যাজিকাল বাস্তুতন্ত্র। এই পথপরিক্রমায় ধরা দিল রহস্যময় হিগস বোসন, বিচিত্র সব কোয়ার্ক, আর কত অচেনা কণা।

কণা-পদার্থবিদ্যার এই যাত্রা এক বিশাল বৈজ্ঞানিক অ্যাডভেঞ্চার। যুক্তির সার্চলাইট হাতে, বিজ্ঞানের জাহাজে চড়ে ক্ষুদ্রতম সত্তার সন্ধানে এক অভিযান—যার শেষ এখনও অনেক দূরে। সামনে কত রহস্য, কত আবিষ্কার বাকি!

চলো, আজ পর্যন্ত এই অভিযান ঠিক কতদূর এগিয়েছে, তারই এক রোমাঞ্চকর গল্প শুনি।

You might like these